করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে কি করবেন

আপনি যদি বুঝতে পারেন যে, আপনার মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণের একাধিক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, তাহলে কী করবেন?

শুরুতেই আলাদা হয়ে যান।
করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রথম লক্ষণ হলো জ্বর এবং শুকনো কাশি। এছাড়া থাকতে পারে শরীরের পেশীতে ব্যথা, গলা ব্যথা, স্বাদ ও গন্ধের অনুভূতি না থাকা, শ্বাসকষ্ট, কখনো পেট খারাপ ও বমি বা বমি বমি ভাব।
কেউ যদি নিজের মধ্যে এ রকম একাধিক লক্ষণ দেখতে পান, তাহলে শুরুতেই ‘সেলফ-আইসোলেশনে’ চলে যান, অর্থাৎ নিজেকে পরিবারের বাকি সদস্যদের কাছ থেকে পুরোপুরি আলাদা করে ফেলুন।

#আইসোলেশনের_প্রয়োজনীয়_জিনিস :

১. ইলেক্ট্রিক কেটলি
২. কাপ, গ্লাস, প্লেইট
৩. টি ব্যাগ
৪. ছুরি
৫. যে কোন মিনারেল ওয়াটার ১/২লিটার ও ৫ লিটার সাইজ
৬. মধু
৭. কালিজিরা
৮. আদা
৯. চিনি
১০. লবন্গ
১১. লেবু
১২. লবণ
১৩ মাল্টা, কমলা, আপেল এবং অন্য সিজোনাল ফ্রুটস
১৪. প্লাস্টিক / পলি ব্যাগ
১৫. স্যান্ডেল
১৬. টিস্যু
১৭. ধর্মীয় বই, সাহিত্য বই
১৮ মোবাইল, চার্জার , ল্যাপটপ, মাল্টিপ্লাগ
১৯. এক্সট্রা কাপড়, টাওয়েল,
২০. সাবান ও ডিটারজেন্ট পাউডার।
২১. সিভিট ফোরট ট্যাব্লেট, ভিটামিন ডি — যদি খেয়ে না থাকে।
২২. প্যারাসিটামল, এন্টিহিস্টামিন, ইনহেলার, পিপিআই, Zinc tablet (pep-2)
২৩. ভিনেগার– গারগল করার জন্য
২৪. এরোসল,
২৫. শুকনো খাবার– মুড়ি, চিড়া, কলা, খেজুর
২৬. আয়না, কাচি
২৭. mask, gloves, hand sanitizer
২৮. মগ, বালতি
২৯. pulseoxymeter
৩০. খাবার স্যালাইন ১০ প্যাকেট।

#আইসোলেশনে_থাকা_অবস্থায়_সাধারণ_চিকিৎসা:
যদি আপনার জ্বর,কাশি,গলা ব্যথা,শরীর ব্যথা,দূর্বলতা,স্বাদ-গন্ধ না পাওয়া,বমি, পাতলা পায়খানা ছাড়াও শুধুমাত্র ইনফ্লুয়েঞ্জার লক্ষ্মণ থাকতে পারে। এই লক্ষন গুলোর সাথে রোগির শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৫% এর আশে পাশে থাকে। তাহলে নিচের ওষুধগুলো চিকিৎসকের পরামর্শে খেতে পারেন।
1. Ivera 12 mg 0+0+1
(খাবারের ১ ঘন্টা আগে………..৫ দিন)
2. Zimax 500 mg 0+0+1……..৭ দিন
3. Fexo 120 mg 0+0+1…….. ১৫ দিন
4. Trilock 10 mg 0+0+1………৩০ দিন
5. Napa extend 1+1+1 (জ্বর থাকলে)
6. Sargel 20 mg 1+0+1………৩০ দিন
(খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে)
7. Civit 250 mg 1+0+1……..৩০ দিন
8. Zinc 1+0+1………………….৩০ দিন
9. Vitamin D ( drise 40,000 IU) 1+0+0
প্রতি সপ্তাহে ১টি করে……১ মাস
[চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন]

#সাধারণ_কিন্তু_গুরুত্বপূর্ণ_অভ্যেস_যা_আইসোলেশনে_করে_উপকার_পাওয়া_যাবে :

১। হালকা গরম পানিতে লবন দিয়ে গড়্গড়া করা। হালকা গরম ভিনেগার দিয়েও গড়্গড়া করা যায় দিনে ৩-৪ বার
২। আদা, রং চা চিনি ছাড়া প্রয়োজন মত।
৩। গরম পানির ভাব নেয়া দিনে ২-৩ বার।
৪। মধু, লেবুর হালকা গরম পানি পান করা।
৫। অতিরিক্ত গরম পানি অনেক সময় গলার ক্ষতি করতে পারে। সেক্ষেত্রে হালকা কাশিতে রক্ত আসতে পারে।
৬। ব্রিদিং এক্সারসাইজ করা, বড় করে শ্বাস নিয়ে ৫ সেকেন্ড ধরে রাখা, এরপর ছাড়া। এভাবে ৫ বার শ্বাস নিয়ে ৬ষ্ঠ বারে শ্বাস নিয়ে দুটি কাশি দেয়া । এভাবে দিনে ৪-৫ বার করার অভ্যাস করা ।
৭। ঘরের সাধারন ব্যায়াম করা। অধিকক্ষণ শুয়ে না থাকা। নিজের ঘর নিজে পরিস্কার করা ।
৮। সাহস রাখা,আশাহত না হওয়া, বেশি বেশি ধর্মীয় কার্যক্রম করা, কোভিড আক্রান্ত হলে প্রথমেই যে বিষয়টি আমাদের মাথায় রাখতে হবে। সাহস হারানো যাবে না। আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন।

 

Md Amir

সত্যকে খুঁজে বেড়াই। সত্যকে আঁকড়ে ধরে থাকি। আর তা অন্যদেরকে অনুপ্রেরণা দেবার চেষ্টা করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!